ডিজিটাল ফাঁদ
ডিজিটাল ফাঁদে পা বাড়িয়ে অর্থ খোয়াচ্ছে তরুণরা। জমকালো বিজ্ঞাপন ও ছাড়ের লোভে অন্ধকারে বিনিয়োগ করে ভোগান্তিতে ইভ্যালি, ধামাকা, ই-অরেঞ্জ, কিউকম, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট, নিড ডটকম ডটবিডি ও আলেশা মার্টের গ্রাহকরা।
এছাড়া, আর্থিক অনিয়ম ও ভোক্তা ঠকানোর অভিযোগে আলোচিত ই-কমার্স কোম্পানির হিসাব খতিয়ে দেখতে নিরীক্ষক নিয়োগ দিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এমনই একটি ডিজিটাল ফাঁদ ‘রিং আইডি’। মেম্বারশিপের মাধ্যমে এখানে বিনিয়োগ করে টাকা আয়ের সুযোগ দেয়া হয়। এজন্য বর্তমানে দুটি প্যাকেজ অফার রয়েছে। সিলভার মেম্বারশিপ ও গোল্ড মেম্বারশিপ। সিলভার মেম্বারশিপের মূল্য ১২ হাজার টাকা এবং গোল্ড মেম্বারশিপের মূল্য ২২ হাজার টাকা। পাশাপাশি এখানে আরও দুটি প্রবাসী প্যাকেজ রয়েছে। ‘প্রবাসী গোল্ড’ ২৫ হাজার টাকা এবং ‘প্রবাসী প্লাটিনাম’ ৫০ হাজার টাকা। মেম্বারশিপ পাওয়ার পর বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। ওই বিজ্ঞাপন যত গ্রাহক দেখেন তত টাকা ইনকাম হয়।
এভাবে রিং আইডি কমিউনিটি জবস মেম্বারশিপের সিলভার প্যাকেজ থেকে প্রতিদিন ২৫০ টাকা এবং প্রতি মাসে সাড়ে সাত হাজার টাকা, গোল্ড মেম্বারশিপ থেকে প্রতিদিন ৫০০ টাকা এবং প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হয়। এছাড়া প্রবাসী গোল্ড মেম্বারশিপ থেকে প্রতিদিন ৫০০ টাকা এবং প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা, প্রবাসী প্লাটিনাম প্যাকেজ থেকে প্রতিদিন এক হাজার টাকা এবং প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা আয়ের সুযোগ আছে বলে অফার দেয় রিং আইডি।
তরুণরা ডিজিটাল ফাঁদে পা বাড়াবেন না এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
প্রতারণা ও গ্রাহক ভোগান্তি কমাতে নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। নিয়োগ দিতে হবে রেগুলেটরি বা নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান। তা হলেই ই-কমার্সে ফিরবে শৃঙ্খলা।
গন সচেতনতায়, তরুণ উন্নয়ন সংঘ।


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Will reply shortly, please bear with us.